ইমরানে আমলে পাকিস্তানে বাড়ছে হিন্দুদের উপর অত্যাচার, রিপোর্ট রাষ্ট্রসংঘের কমিশনের

ইমরানে আমলে পাকিস্তানে বাড়ছে হিন্দুদের উপর অত্যাচার, রিপোর্ট রাষ্ট্রসংঘের কমিশনের>>

ইমরান খান জামানাতে ধর্ম পালনের স্বাধীনতা ও ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের অধিকার রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়েছে পাক প্রশাসন। এবং এই পরিস্থিতি আরও খারাপ হচ্ছে দিনকে দিন। এমনই আশাঙ্কাবাণী সমেত এক রিপোর্ট পেশ করাল রাষ্ট্রসংঘের মহিলা বিষয়ক কমিশন।

কী বলা সেই রিপোর্টে?

ইমরানের পাকিস্তানে সংখ্যালঘুদের ধর্ম পালনের অধিকার খর্ব প্রসঙ্গে ৪৭ পাতার রিপোর্টটিতে ইমরান সরকারের পাশ করা বেশ কয়েকটি আইনের উল্লেখ করে বলা রয়েছে যে বর্তমান সরকারের এই পদক্ষেপের জেরে কট্টরপন্থীরা আরও সুযোগ পাচ্ছে। এতে আরও বলা হয়েছে যে রাজনীতি ও হাতে অস্ত্র ধরিয়ে দিয়ে আহমেদিয়া শহ পাকিস্তানের সকল সংখ্যালঘুদের উপর নির্যাতন চালাচ্ছে কট্টরপন্থী।

বিপজ্জনক পরিস্থিতির সম্মুখীন মেয়েরা

এছাড়া হিন্দু ও খ্রিস্টান মেয়েরা খুব বিপজ্জনক পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছএন বলে উল্লেখ করা হয়েছে রিপোর্টে। রিপোর্টে বলা, ‘প্রতি বছর কয়েকশ হিন্দু ও খ্রিস্টান মেয়েদের অপরণ কের মুসলিমদের সঙ্গে বিয়ে দিয়ে দেওয়া হয়। সেই অবস্থা নিজেদের পরিবারে ফেরার সম্ভাবনা প্রায় শেষ হয়ে যায় তাদের জন্য। এবং অনবরত সেই অপহৃত মেয়েদের পরিবারকে হুমকি দেওয়া হয়। পাশাপাশি পুলিশের তরফে নিষ্ক্রিয়তা পরিস্থিতি আরও বাজে কের তুলছে। বিচার ব্যবস্থাও এই সব ক্ষেত্রে খুবই একপেশে। এর জেরে এই সংখ্যালঘুদের কোথাও যাওয়ার নেই।’

ভুয়ো অভিযোগ এনে অত্যাচার

২০১৯ সালের মেয়ে মাসে, ধর্মনিন্দা ও কুরানের অপমান করার অভিযোগ এনে সিন্ধে এক পশু চিকিৎসকের দোকান জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল যে, কুরানের একটি পাতায় মুরিয়ে তিনি ওষুধ দিয়েছিলেন। এই ঘটনার পর সেই রমেশ কুমার মালহি নামক পশু চিকিৎসকের বাড়ির পাশাপাশি এলাকার সব হিন্দুদে বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়।

Download Mahabharat

আইনের অপব্যবহার

রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, ‘দীর্ঘ দিন ধরে এই ধর্মনিন্দা বিরোধী আইনের অপব্যবহার হয়ে আসছে পাকিস্তানে। এর জেরে আগের থেকে আরও কট্টরপন্থা বেড়েছে সেই দেশে। এই আইনের জেরেই লোকে খুব তারাতারি দাঙ্গার মতো পরিস্থিতি তৈরি করে ফেলে। এর মূল ভুক্তভুগি পঞ্জাব ও সিন্ধে বসবাসরত হিন্দু সহ বাকি সংখ্যালঘুরা। গ্রামীণ এলাকায় হিন্দুদের আর্থিক সচ্ছলতা না থাকায় তাদের উপর বেশি অত্যাচার হয়।’

Credit: Oneindia