প্রেমে রাজি না হওয়ায় হিন্দু মেয়ে নিকিতাকে গুলি করে হত্যা করল মহম্মদ তৌফিক

ভারতের হরিয়ানার বল্লভগড়ে নিকিতা নামের এক মেয়ে জিহাদের শিকারে ব্যর্থ হয়ে খুনের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। মহম্মদ তৌসিফ নামের কট্টরপন্থী নিকিতাকে বিয়ে করতে চেয়েছিল। তৌফিক নিকিতা তোমারকে ধর্মান্তরন করতে চেয়েছিল। হিন্দু যুবতী রাজি না হওয়ায় তাকে রাস্তায় আটকে মেরে ফেলা হয়েছে। ঘটনার ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতে শুরু হয়েছে। হরিয়ানার ফরিদাবাদের বল্লভগড়ে এই ঘটনা ঘটিত হয়েছে।

হরিয়ানার ফরিদাবাদের বল্লভগড়ে এই ঘটনাটি হয়েছে। যে CCTV ফুটেজ ভাইরাল হয়েছে তাতে দেখা যাচ্ছে নিকিতা তোমারকে প্রথমে গাড়িতে তোলার চেষ্টা করা হচ্ছিল। না পেরে শেষে তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়। নিকিতা তোমার বি.কম ফাইনাল বর্ষের ছাত্রী ছিলেন এবং অগ্রবাল কলেজে পরীক্ষা দিতে এসেছিলেন।

মেয়েটির পরিবার জানিয়েছে যে মহম্মদ তৌফিক বার বার নিকাহ ও ধর্ম পরিবর্তন করার জন্য চাপ দিত। কট্টরপন্থী মহম্মদ তৌফিক বলতো যে মুসলিম হয়ে যা বিয়ে করে নেব। কিন্তু যেহেতু যুবতীকে বার বার বলে এবং জোর করেও লাভ হয়নি তখন তাকে গুলি করে। মৃতাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ মৃত ঘোষণা করে।

প্রসঙ্গত, ভারত দেশ হিন্দু বহুল হয়েও একের পর এক হিন্দু মেয়ে লাভ জি’হাদের শিকার হচ্ছে। হিন্দুদের জনসংখ্যা অনেক হলেও মুষ্টিমেয় কিছু হিন্দুত্ববাদী, রাষ্ট্রবাদী সচেতন লোকজন লাভ জি’হাদের বিরুদ্ধে আওয়াজ তোলে। বাকি বেশরিভাগ হিন্দু তথাকথিত সেকুলার সেজে পরোক্ষভাবে অপরাধকে প্রশ্রয় দেওয়ার কাজ করে। বলার তাৎপর্য এই যে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ না করাটাও অপরাধ। আর এটাই হিন্দু সমাজের একটা বড়ো অংশ করেই চলছে। যার দরুন, প্রতিদিন শুধু শহরের নাম বদলে যাচ্ছে, রাজ্যের নাম বদলে যাচ্ছে তবে লাভ জি’হাদ বা ওই ধরনের ঘটনা একই হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে।